বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ asiareport24.com
বিজ্ঞাপন পুরোনো বিজ্ঞাপন #15
সংবাদ শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ন আপডেট: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ী দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সিনেটর

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই রাজনীতিক। তাঁরা হলেন জর্জিয়ার স্টেট সিনেটর শেখ রহমান ও কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটর এমডি মাসুদুর রহমান। অন্যদিকে নিউ হ্যাম্পশায়ারের আইনসভার সদস্য আবুল খানের আসনের নির্বাচনি ফল এখনো নিশ্চিতভাবে যাচাই করা যায়নি।

জর্জিয়ার স্টেট সিনেটের ৫ নম্বর আসনে শেখ রহমানের বিপক্ষে কোনো প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রাথমিক হিসাবে তাঁর প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ৩৫ হাজার ১০১। এর আগে গত ১৯ মে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রাথমিক নির্বাচনে রবিন ম্যাককয়কে পরাজিত করে দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করেন শেখ রহমান।

শেখ রহমানের পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জে। তিনি জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের প্রথম মুসলিম ও এশীয় বংশোদ্ভূত স্টেট সিনেটর। ২০১৮ সালে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অঙ্গরাজ্যটির ৫ নম্বর সিনেট আসনের প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

২০২৪ সালের নির্বাচনেও রিপাবলিকান প্রার্থী লিসা ব্যাবেজকে প্রায় দ্বিগুণ ভোটে হারিয়ে চতুর্থবারের মতো নির্বাচিত হয়েছিলেন শেখ রহমান।

অন্যদিকে কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটের ৪ নম্বর আসনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী এমডি মাসুদুর রহমান রিপাবলিকান প্রার্থী জেন জেনিংসকে পরাজিত করে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সিটি ইনসাইডারের প্রকাশিত প্রাথমিক ফলাফলে তাঁর জয়ের তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এখনো তাঁর প্রাপ্ত ভোটের নির্দিষ্ট সংখ্যা পাওয়া যায়নি।

এমডি মাসুদুর রহমানের পৈতৃক বাড়ি বাংলাদেশের চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে। ২০২২ সালে প্রথমবার কানেকটিকাটের স্টেট সিনেটর নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০২৪ সালের নির্বাচনে ৩৩ হাজার ৯৯ ভোট পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো জয়ী হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাঁচজন জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁরা হলেন শেখ রহমান, নাবিলা ইসলাম পার্কস, নূরুন নবী, এমডি মাসুদুর রহমান ও আবুল খান।

তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনে নূরুন নবী ও নাবিলা ইসলাম পার্কসের প্রার্থিতার বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি। এ কারণে তাঁদের এবারের নির্বাচনি ফলাফলের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।