রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ asiareport24.com
বিজ্ঞাপন পুরোনো বিজ্ঞাপন #15
সংবাদ শিরোনাম

৭২ ঘণ্টার মধ্যে জয়পুরহাটের ডিসিকে অপসারণের দাবি ছাত্রদলের

অনলাইন ডেস্ক — জয়পুরহাট
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ১:৪০ অপরাহ্ন
৭২ ঘণ্টার মধ্যে জয়পুরহাটের ডিসিকে অপসারণের দাবি ছাত্রদলের

জয়পুরহাটে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি ব্যানারে না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট হট্টগোলের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

​শনিবার (৭ নভেম্বর) রাতে জয়পুরহাট জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাইম ইসলামের ফেসবুক পোস্টে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

​প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানের ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ছবি না রাখা এবং এক বক্তার বক্তব্যে বারবার শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির পিতা’ হিসেবে সম্বোধন করার সময় জেলা প্রশাসক নীরব ভূমিকা পালন করেন। এ ঘটনায় জেলা ছাত্রদল তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে জয়পুরহাটের জেলা প্রশাসককে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের দাবি জানানো হয়। অন্যথায় দাবি আদায়ে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

​বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল জয়পুরহাট জেলা শাখার সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ ও সাধারণ সম্পাদক কে এম শাকিল হোসেনের নির্দেশনায় এই বিবৃতি প্রদান করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেন জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. নাঈম ইসলাম। মুঠোফোনে ছাত্রদল জেলা শাখার সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ শুভ প্রেস বিজ্ঞপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

​এদিকে জেলা প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, ব্যানারটি জেলা প্রশাসক নিজেই নির্ধারণ করেছিলেন। তবে তাঁরা আগে ব্যানার সম্পর্কে অবগত ছিলেন না এবং অনুষ্ঠানে এসে ব্যানারটি টাঙানো অবস্থায় দেখেছেন।

​এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এ কে এম গোলাম মাহফুজ বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনাসভার অনুষ্ঠানে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করেছি। আমরা জেলা প্রশাসকের অপসারণ চাই এবং তাঁর অপসারণের জন্য সময়সীমা বেঁধে দিয়েছি।

​এ বিষয়ে রোববার সকালে জেলা প্রশাসক আল-মামুন মিয়ার সরকারি মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি; ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

​উল্লেখ্য, শনিবার সকালে জয়পুরহাট জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভার মূল ব্যানারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকাকে কেন্দ্র করে প্রথমে অসন্তোষ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে ব্যানারে তাঁর ছবি সংযুক্ত করে অনুষ্ঠান শুরু করা হলেও এক বক্তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।